হেভিওয়েট ভিনিসিয়াসদের বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব? অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন গোলের মালা পরবে ভারত। পাঁচবারের বিশ্বসেরাদের বিরুদ্ধে হাঁটু কাঁপা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে কোচ খালিদ জামিলকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। পানামার বিরুদ্ধে দুরন্ত ফুটবল খেলে ১-১ ড্র করেছিল ভারত। সেলেকাওদের বিরুদ্ধেও ঠিক যেন সেখান থেকেই শুরু। স্রেফ গুটিয়ে না থেকে প্রতি-আক্রমণে সেলেকাওদের চাপে ফেলার কৌশল নিয়েছিলেন তিনি। অহেতুক বল ওড়ানোর বদলে পরিকল্পনার ছাপ স্পষ্ট। মেগা ম্যাচে আনোয়ার, অভিষেক, অনিরুদ্ধ থাপা, মনবীরদের লড়াইকে কুর্নিশ। কুঁকড়ে থাকার বদলে এই চনমনে বডি ল্যাঙ্গুয়েজই বড়ো প্রাপ্তি। তবে রীতিমতো হতাশ করল গুরপ্রীত। দু’টি গোলের ক্ষেত্রেই দায় এড়াতে পারে না পাঞ্জাবি গোলরক্ষক। মেগা ম্যাচে সিনিয়র গোলকিপারের কাছে এমন ভুল অপ্রত্যাশিত। দুরন্ত ছন্দে থাকা বিশাল কাইথ জাতীয় দলের বাইরে! অথচ অদ্ভুতভাবে একটার পর এক ম্যাচে খেলিয়ে যাওয়া হচ্ছে গুরপ্রীতকে। এই সিদ্ধান্ত সত্যিই বিস্ময়কর। পাশাপাশি খালিদের উচিত অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কয়েকজনকে সিনিয়র স্কোয়াডে সুযোগ দেওয়া। যারা পরবর্তীতে দলকে ভরসা দেবে। একই সঙ্গে বলব, ফেডারেশনের উচিত আরও বেশি ফ্রেন্ডলি ম্যাচের ব্যবস্থা করা। এশিয়া বা ইউরোপের এগিয়ে থাকা দলগুলোর বিরুদ্ধে ম্যাচ খেললে উপকৃত হবে ভারতীয় ফুটবল।
এবার ব্রাজিলের প্রসঙ্গে আসা যাক। অস্ট্রেলিয়ায় ম্যাচ খেলে ভারতে পা রেখেছিল আনসেলোত্তি ব্রিগেড। নতুনভাবে দলকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন ডন কার্লো। প্রস্তুতি ম্যাচে নতুনদের নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা অব্যাহত। কিন্তু দলটা বড্ড বেশি ভিনিসিয়াস নির্ভর। ব্যক্তিগত দক্ষতাও তেমন চোখে পড়েনি। সাম্বা ব্রিগেডের কাছে আরও ভালো ফুটবলের আশায় ছিল বঙ্গবাসী।
