নেশনস লিগে রোনাল্ডোকে ছাড়াই নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে পর্তুগাল। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন ওঠে, আবার কি রোনাল্ডো ফিরবেন? জবাবে জেসুস বলেন, “যদি ও ফিরতে চায়, তা হলে জাতীয় দলে ফিরতে পারে। ওর জন্য জায়গা সব সময় খোলা। কিন্তু ফেরার সিদ্ধান্ত ওকেই নিতে হবে।”
জাতীয় দলে কী ভাবে কেরিয়ার শেষ করবেন, সেই সিদ্ধান্তও রোনাল্ডোর উপরেই ছেড়েছেন জেসুস। দলের কোচ বলেন, “ওই ঠিক করবে জাতীয় দলে কী ভাবে শেষ করবে। আমি ওকে বলেছিলাম, ওকে আমার দরকার। খেলুক বা না খেলুক, ওকে দলে দরকার। আমি এখনও একই কথা বলছি। বাকিটা ওর হাতে।”
ডেনমার্ক ম্যাচের আগে জেসুস সাংবাদিক বৈঠকে বলেছিলেন, তিনি চাইলে রোনাল্ডোকে খেলাবেন, না চাইলে খেলাবেন না। তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এর পরেই পর্তুগাল ফুটবল সংস্থার সভাপতির সঙ্গে কথা বলে শিবির ছাড়েন রোনাল্ডো। সেই ঘটনা নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। এ বারও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন কোচ।
ক্লাব ফুটবলে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসাবে রোনাল্ডোকে কাছ থেকে দেখেছেন জ়িনেদিন জ়িদান। পর্তুগালের তারকার এই পরিস্থিতি মানতে পারছেন না তিনি। বর্তমানে ফ্রান্সের কোচ জ়িদান বলেন, “আমার মতে, রোনাল্ডোর কেরিয়ারের শেষটা এ ভাবে হওয়া ঠিক নয়। এই বিদায় ওর প্রাপ্য নয়। ও যা করে করেছে তা অবিশ্বাস্য। ওকে কুর্নিশ করা উচিত।”
কোচ হিসাবে রোনাল্ডোকে পেয়ে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করেন। জ়িদান বলেন, “আমি ভাগ্যবান যে, রোনাল্ডোকে পেয়েছিলাম। ও অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটাত। ওকে টুপি খুলে কুর্নিশ জানাই। ওকে আমি সবসময় সম্মান করেছি। ফুটবলার তো বটেই, মানুষ হিসাবেও ও দুর্দান্ত। কত ম্যাচ আমাদের জিতিয়েছে।”
আবার জাতীয় দলে ফিরবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি রোনাল্ডো। তবে তিনি সমাজমাধ্যমে জানিয়েছেন, শীঘ্রই সব সত্যি সামনে আনবেন। কী সত্যির কথা বিশ্বফুটবলে সর্বাধিক গোলের মালিক বলতে চেয়েছেন, তা অবশ্য জানা যায়নি।
